উপমহাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহাসিক ভিত্তি

উপমহাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহাসিক ভিত্তি

(Under construction)

ইসলামের প্রাথমিক নির্দেশনা

ইসলামী রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ

বিভিন্ন সভ্যতার পুঞ্জীভূত জ্ঞানের অনুবাদ

জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আরবদের স্বকীয়তা

জ্ঞান-চক্রঃ মিশর-গ্রীস-ভারত-আরব-ইউরোপ

আরবীয় জ্ঞান ইউরোপীয় রেনেসাঁর পথিকৃত

ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার দার্শনিক স্বকীয়তা

ভারতে মুসলিম রাজত্ব ও শিক্ষাব্যবস্থা

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীঃ বাণিজ্য থেকে সাম্রাজ্য

কোম্পানীর শাসনাধীন ভারতে রকমারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (১৭৫৭-১৮৫৭)

রাম মোহন রায় ও দ্বারকানাথ ঠাকুর ও ইংরেজি চর্চা

কলকাতা আলিয়া মাদরাসাঃ সরকারী খরচে ইসলামী শিক্ষার নিভু নিভু প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার চেষ্টা

বেনারস সংস্কৃত কলেজঃ সরকারী অর্থায়নে সংস্কৃত সাহিত্য চর্চাকেন্দ্র

এশিয়াটিক সোসাইটিঃ ভারত নিয়ে ইউরোপীয় পণ্ডিতদের গবেষণা প্রতিষ্ঠান

শ্রীরামপুর মিশনঃ ভারতীয় জনগনকে খ্রীস্টবাদে দীক্ষিত করার প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজঃ ইংরেজ শাসন পাকাপোক্ত করার উদ্দেশ্যে কোম্পানীর কর্মকর্তাদের স্থানীয় ভাষা শিক্ষার আয়োজন

হিন্দু কলেজ থেকে প্রেসিডেন্সী কলেজ

মোহামেডান কলেজ, দিল্লী

১৮১৩ সালের চার্টার এ্যাক্টঃ ভারতে শিক্ষার জন্য কিছু টাকা বরাদ্দ

বরাদ্দকৃত অর্থ কোন শিক্ষার পেছনে খরচ করা হবে তা নিয়ে বিতর্ক

১৮৩৩ সালের চার্টার এ্যাক্টঃ ভারতের আইনব্যবস্থার ঐতিহাসিক ভিত্তিমূলে কুঠারাঘাত

ল’ কমিশন ও এডুকেশন কমিশনের চেয়ারম্যান লর্ড মেকলে

লর্ড মেকলে’র “ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ” শীর্ষক নিবন্ধ

ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যে কারণে বন্ধ করে দিতে হবে

………………………………………………………………

………………………………………………………………

যে ধরণের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রয়োজন ইংরেজদের

লর্ড মেকলেঃ ভারতে বৃটিশ সেকুলার শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তক

১৮০৩: আব্দুল আজিজ দেহলবী কর্তৃক ভারতকে ‘দারুল হরব’ (যুদ্ধক্ষেত্র) ঘোষণা

১৮৩১ ও ১৮৩২: বালাকোট আন্দোলন ও শহীদ তিতুমীরের বারাসতের বিদ্রোহ

১৮৫৭: বৃটিশ তাড়ানোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যর্থ (কামান দাগা, ফাঁসি ও নির্বাসন)

১৮৫৮: ভারতের পরাজিত নাগরিকদের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের রাণী ভিক্টোরিয়ার মহা ফরমান

ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে জঙ্গীবাদের অভিযোগ ()

ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বনাম ঘোড়ার আস্তাবলঃ ওয়াকফ সম্পত্তি বাতিল

সামগ্রিকভাবে মুসলমানদের প্রতিক্রিয়া

ইংরেজ ও ইংরেজি শিক্ষা প্রত্যাখ্যান

উত্তর ভারতে দারুল উলুম দেওবন্দঃ ক্বওমী মাদরাসার পদযাত্রা

আলীগড়ে এ্যাংলো-অরিয়েন্টাল মোহামেডান কলেজঃ সৈয়দ আহমদ খানের ‘মুসলিম ক্যামব্রীজ’ তৈরীর প্রথম পদক্ষেপ

মুসলমানদের সামনে নানা রঙের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

কলকাতা আলিয়া মাদরাসা

দিল্লী মোহামেডান কলেজ

ইংরেজ প্রবর্তিত সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ

দারুল উলুম দেওবন্দ

আলীগড় এ্যাংলো-অরিয়েন্টাল মোহামেডান কলেজ

মাওলানা মওদুদী’র মূল্যায়ণ

১৯৪৭: স্বাধীন পাকিস্তান ও স্বাধীন ভারতের অভ্যুদয়

পাকিস্তান রাষ্ট্রের যৌক্তিক ভিত্তি ও প্রকৃতি

আদর্শ প্রস্তাব

পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক শুরু

একনজরে শিক্ষা কমিশনসমূহ

পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙ্গে যাওয়ার কারণ

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

সংবিধানে সেকুলারিজমঃ ভারতীয় প্রভাবের সুস্পষ্ট প্রদর্শনী

সেকুলারিজমকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টাঃ সেক্টর কমাণ্ডার ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ

বাংলাদেশকে পূর্ণমাত্রায় সেকুলার বানানোর লক্ষ্যে কুদরাত-এ-খুদার নেতৃত্বে শিক্ষা কমিশন তৈরী

কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট, ১৯৭৪: একটি বিশ্লেষণ

পচাত্তরের পট পরিবর্তন ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ

সংবিধানে সেকুলারিজমের পরিবর্তে ইসলামী চেতনার সংযোজনঃ পরবর্তী শিক্ষানীতির উপর তার প্রভাব

আলিয়া মাদরাসার সার্টিফিকেটের সরকারী স্বীকৃতি প্রদানঃ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  মাদরাসা ছাত্রদের ঈর্ষনীয় সাফল্যে সেকুলার ও বামপন্থীদের গাত্রদাহ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্রে ইসলামী বিপ্লববাদীদের ঠেকাতে  সেকুলার ও বামপন্থীদের কর্মকৌশল

মাদরাসাগুলোর বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের অভিযোগ

বিভিন্ন শর্তারোপ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  মাদরাসা ছাত্রদের ভর্তি বন্ধ

সংবিধানে সেকুলারিজম ফিরিয়ে আনা

জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১০

১৮৩৫ সালে লর্ড মেকলে’র “ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ”  শীর্ষক নিবন্ধে উল্লেখিত উদ্দেশ্য সাধনে আমাদের ভূমিকা

শেষ কথা

জ্ঞান ও ইসলাম

ড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। জমাট বাঁধা রক্তের দলা থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। পড়ো, এবং তোমার রব বড় মেহেরবান, যিনি কলমের সাহায্যে জ্ঞান শিখিয়েছেন”। (আল আলাক ১-৫)

উপরোক্ত নির্দেশের মাধ্যমে সপ্তম শতকের শুরুতে নিরক্ষর মরুচারী বেদুইন আরবদের মধ্যে ইসলাম জ্ঞানের যে স্পৃহা জাগিয়েছিল পৃথিবীর ইতিহাসে তার নজির খুঁজে পাওয়া অসম্ভব।

হিট্টি

Starting with very little science, philosophy or literature of his own, the Arabian Moslem, who brought with him from the desert a keen sense of intellectual curiosity, a voracious appetite for learning and many latent faculties, soon became, as we have learned before, the beneficiary and heir of the older and more cultured peoples whom he conquered or encountered. [History of the Arabs; Philip K. Hitti, Sixth Edition, London, Macmillan & Co. Ltd. Reprinted 1958, p. 306]

আসাদ

Between these first and last verses (the first and the last in the chronological order of their revelation) unfolds a book which, more than any other single phenomenon known to us, has fundamentally affected the religious, social and political history of the world. No other sacred scripture has ever had a similarly immediate impact upon the lives of the people who first heard its message and, through them and the generations that followed them, on the entire course of civilization. It shook Arabia, and made a nation out of its perennially warring tribes; within a few decades, it spread its world-view far beyond the confines of Arabia and produced the first ideological society known to man; through its insistence on consciousness and knowledge, it engendered among its followers a spirit of intellectual curiosity and independent inquiry, ultimately resulting in that splendid era of learning and scientific research which distinguished the world of Islam at the height of its cultural vigour; and the culture thus fostered by the Qur’an penetrated in countless ways and by-ways into the mind of medieval Europe and gave rise to that revival of Western culture which we call the Renaissance, and thus became in the course of time largely responsible for the birth of what is described as the “age of science”: the age in which we are now living.

আব্বাসী যুগের বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের বর্ণনায় প্রফেসর হিট্টিঃ

“… but what has rendered this age especially illustrious in world annals is the fact that it witnessed the most momentous intellectual awakening in the history of Islam and one of the most significant in the whole history of thought and culture. The awakening was due in a large measure to foreign influences, partly Indo-Persian and Syrian but mainly Hellenic, and was marked by translations into Arabic from Persian, Sanskrit, Syriac and Greek. Starting with very little science, philosophy or literature of his own, the Arabian Moslem, who brought with him from the desert a keen sense of intellectual curiosity, a voracious appetite for learning and many latent faculties, soon became, as we have learned before, the beneficiary and heir of the older and more cultured peoples whom he conquered or encountered. As in Syria he adopted the already existing Aramaic civilization, itself influenced by the later Greek, so did he in al-‘Iraq adopt the same civilization influenced by the Persian. [History of the Arabs; Philip K. Hitti, Sixth Edition, London, Macmillan & Co. Ltd. Reprinted 1958, p.  306]

গ্রীসের শত শত বছরের লব্দ জ্ঞান তিন দশকেই আত্মস্থ করে মুসলিম আরবঃ

In three-quarters of a century after the establishment of Baghdad the Arabic-reading world was in possession of the chief philosophical works of Aristotle, of the leading Neo-Platonic commentators, and of most of the medical writings of Galen, as well as of Persian and Indian scientific works. In only a few decades Arab scholars assimilated what had taken the Greeks centuries to develop.[History of the Arabs; Philip K. Hitti, Sixth Edition, London, Macmillan & Co. Ltd. Reprinted 1958, pp. 306-307]

ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা বলতে কী বুঝায়?

মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসূলদের মাধ্যমে যে মৌলিক দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তার ভিত্তিতে যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠে তা-ই মূলত ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা।

ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষাঃ

৭১২ সালে মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে সিন্ধু অভিযান সফল হলেও কেন্দ্রে গোলযোগের প্রেক্ষিতে এখানকার প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অচলাবস্থা দেখা দেয়। একাদশ শতকের গোড়ার দিকে গজনী’র সুলতান মাহমুদ সতের বার ভারত আক্রমণ করলেও স্থায়ীভাবে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হন নি।

পরবর্তীতে ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে মুহাম্মদ ঘোরীর দুই জেনারেল কুতুবুদ্দিন আইবেক ও ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী’র যথাক্রমে দিল্লী ও বাংলা বিজয়ের (১২০৪) মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে স্থায়ীভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ পায় মুসলিমরা। ঠিক তখন থেকেই এ এলাকায় সঠিক অর্থে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে উঠে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

ইলতুতমিশের শাসনামলে (১২১০ – ১২৩৬) মধ্য এশিয়ার বিখ্যাত পণ্ডিত শায়খ শরফুদ্দীন আবু তাওয়ামাহ সোনারগাঁ এসে একটি উচ্চতর জ্ঞানকেন্দ্র গড়ে তুলেন যেখানে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন জ্ঞানার্জনের জন্য ভীড় জমাত। তাঁর পাণ্ডিত্যের বর্ণনায় মুসলিম বাংলার ইতিহাস গবেষক মোহর আলী লিখেছেন, “It is stated that while at Delhi his “wisdom, holiness and learning” spread in the “western region of India, nay in Arabia, Iran and other countries. He was accomplished in all the sciences, even in Chemistry, Natural Science and magic, he had experience and perfection.” (Muhammad Mohar Ali; History of the Muslims of Bengal, vol I B, Islamic Foundation Bangladesh, 1st Edition, Dhaka 2003, p. 834)  সোনারগাঁতে তাঁর কবর রয়েছে। এ সময়ে শায়খ আতা’র নেতৃত্বে দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরেও একই রকমের আরেকটি জ্ঞানকেন্দ্র গড়ে উঠে। অনুরূপভাবে (শায়খ আলাউল হক’র নেতৃত্বে) পান্ডুয়া ও (শাহ মুয়াজ্জম দানিশমন্দের নেতৃত্বে) রাজশাহীর বাঘাতেও বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।

 

কারিকুলামঃ

এ সকল প্রতিষ্ঠানে তাফসীর, হাদীস, আইন, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, গণিত, চিকিৎসা শাস্ত্র সহ আরবী ও ফারসী ভাষা ও ব্যাকরণ পড়ানো হত। উনবিংশ শতকের ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি সময়ে উইলিয়াম এডাম যে এডুকেশন রিপোর্ট পেশ করেছিলেন সেখানে অন্যান্য বিষয়ের সাথে এ সকল প্রতিষ্ঠানের কারিকুলামও উল্লেখ রয়েছে। তিনি লিখেছেন, “The madrasas and academies were institutions of higher education. Different branches of the Islamic sciences, tafsir, hadith, jurisprudence, fiqh, natural sciences, mathematics, medicine, intensive courses in Arabic and Persian literature and grammar, etc., were taught in these institutions. Works of Euclidean geometry, and of Ptolemy on astronomy, in translations, and those of Ibn Sina and Ibn Rushd on medicine were used as textbooks.” (Adam’s Report on Vernacular Education etc., Calcutta, 1868, pp. 20-21)

অর্থায়নঃ

সকল নাগরিকের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার অনন্য দিক। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যয় মিটানোর জন্য সরকার বিপুল পরিমানে নিস্কর জমি বরাদ্দ দিতো। সমাজের ধনী ব্যক্তিবর্গও অনেক জমি ওয়াকফ করে দিতো। এই অবৈতনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু ছিল গোটা মুসলিম শাসনকাল জুড়েই। উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে বস্তুবাদী ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী এসব নিস্কর ও ওয়াকফ সম্পত্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ছিনিয়ে নেয়। [These higher educational institutions were maintained by a rather extensive system of private and state endowments. The Sultans, their nobles and officers, and other wealthy persons made large grants of rent-free landed estates for mosques, madrasas and other centres of learning. Hundreds of such rent-free landed estates were in existence in Bengal even as late as the first half of the nineteenth century when most of them were resumed by the British Indian government. (Muhammad Mohar Ali; History of the Muslims of Bengal, vol I B, Islamic Foundation Bangladesh, 1st Edition, Dhaka 2003, p. 838)]

এ উপমহাদেশে ইংরেজদের বস্তুবাদী সমাজব্যবস্থা বিনির্মাণে যে দালাল গোষ্ঠী গড়ে তোলার প্রয়োজন ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তার উলটো মেরুর লোক তৈরী করে চলেছে যাদের মধ্যে স্বাতন্ত্রবোধ, ঐতিহ্যপ্রীতি ও ইতিহাস সচেতনতা পূর্ণমাত্রায় কার্যকর। এদের সংখ্যা যত বাড়বে ইংরেজদের লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথটি ততই কন্টকাকীর্ণ হয়ে পড়তে বাধ্য। ফলে ইংরেজ শাসকগোষ্ঠীর চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়ায় এসকল ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একপেশে ও মিথ্যা প্রচারণা ও বন্ধ করে দেয়ার সরাসরি হুমকি ইত্যাদি নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ অর্থানুকুল্য প্রত্যাহার করে নিয়ে খরচ করা হতে থাকে হিন্দু কলেজ ও বিভিন্ন শহরে তাদের সংস্কৃতি প্রচারের জন্য গড়ে উঠা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের পেছনে। ইংরেজ  শাসকগোষ্ঠীর প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ম্যাকলে’র ভাষায় শুনুনঃ But I would strike at the root of the bad system which has hitherto been fostered by us. I would at once stop the printing of Arabic and Sanscrit books, I would abolish the Madrassa and the Sanscrit college at Calcutta. Benares is the great seat of Brahmanical learning; Delhi, of Arabic learning. If we retain the Sanscrit college at Benares and the Mahometan college at Delhi, we do enough, and much more than enough in my opinion, for the Eastern languages. If the Benares and Delhi colleges should be retained, I would at least recommend that no stipends shall be given to any students who may hereafter repair thither, but that the people shall be left to make their own choice between the rival systems of education without being bribed by us to learn what they have no desire to know. The funds which would thus be placed at our disposal would enable us to give larger encouragement to the Hindoo college at Calcutta, and to establish in the principal cities throughout the Presidencies of Fort William and Agra schools in which the English language might be well and thoroughly taught. অর্থাৎ, কিন্তু, এবার আমি সেই খারাপ ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাত করবো যা এতোদিন আমাদের (সাবেক গভর্নরদের) দ্বারা লালিত পালিত হয়েছে। আমি এক্ষনি আরবি ও সংস্কৃত বই ছাপানো বন্ধ করে দিবো;  বিলুপ্ত করে দিবো কলকাতার আলিয়া মাদরাসা ও সংস্কৃত কলেজ। বেনারস হল ব্রাম্মণ্যবাদী শিক্ষার বিশাল কেন্দ্র; এমনিভাবে আরবি শিক্ষার জন্য দিল্লী। আমরা যদি বেনারসের সংস্কৃত কলেজ ও দিল্লীর মোহামেডান কলেজ অক্ষত রেখে দেই, তাহলে আমার মতে তা হবে প্রাচ্য ভাষাসমূহের জন্য অনেক বেশী যথেষ্ট। যদি বেনারস ও দিল্লীর কলেজ দু’টি অক্ষত রাখতে হয়, তাহলে আমি কমপক্ষে এতটুকু সুপারিশ অবশ্যই করবো যে, এরপর থেকে যে ছাত্র ঐসব কলেজে যাবে তাকে আর কোন বৃত্তি দেয়া হবে না। যেগুলো জানার প্রতি কোন আগ্রহ নেই সেগুলো জানার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে কাউকে ঘুষ না দিয়ে বরং দুই প্রতিদ্বন্দী শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য থেকে যে কোন একটিকে নিজেদের ইচ্ছেমত বাছাই করার জন্য লোকদেরকে ছেড়ে দিতে হবে। এভাবে যেসব তহবিল আমাদের মাধ্যমে খরচের জন্য রাখা হবে তা কলকাতার হিন্দু কলেজে আরো অধিক প্রণোদনা দিতে আমাদেরকে সাহায্য করবে। ফোর্ট উইলিয়াম ও আগ্রা প্রেসিডেন্সীর প্রধান প্রধান শহরগুলোতে পুরোদমে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সেই তহবিল যথেষ্ট কাজে দিবে। (MACAULAY’S MINUTES ON INDIAN EDUCATION, 2nd of February, 1835, From: Bureau of Education. Selections from Educational Records, Part I (1781-1839).  Edited by H. Sharp.  Calcutta: Superintendent, Government Printing, 1920. Reprint. Delhi: National Archives of India, 1965, 107-117.)

বৃটিশের হাতে গোটা ভারতের পতনঃ

“[T]he crushing defeat of Sindhia of Gowaliar at the battle of Delhi in 1803 was the most significant and had far-reaching political consequences. It laid to the British protection of the Moghal Emperor Shah Alam, now a miserable blind old man of eighty three seated under a small tattered canopy. The British forces marched in to the city and by show of their strength convince the imperial seat that from Calcutta to Delhi they were real ruler of India (PE Roberts. History of British India Oxford University Press London 1952 P.P. 257) In the North-West of the country the Sikh feudatories were getting exhausted by internecine wars to be united and ruled by Sikh statesman, Ranjit Singh (1780-1839) who concluded a peace treaty with company. And on the whole the Muslim supremacy had come to an end.” [Ulama Freedom Struggle and Concept of Pakistan; Mohammed Anwer Hussain, online edition, pp. 1-2]

 

আব্দুল আজিজ দেহলবী কর্তৃক উপমহাদেশকে “দারুল হরব” ঘোষণাঃ

“Under these circumstances Shah Abdul Aziz (1746-1824) the illustrious son of Shah Waliullah Dehlawi (1703-62) issued the famous Fatwa in 1803 declaring that India had ceased to be a Darul Islam.”

ফার্সী ভাষায় প্রদত্ত ফতোয়ায় তিনি লিখেছেন, “In this city (Delhi) the Imamul Muslimeen (The spiritual head of the Muslim community) wields no authority. The real power rests with the Christians Officers. There is no check on them: and promulgation of the command of the Kufr (Infidelity) means that in administration and justice in matters of law and order, in the domain of trade finance and collection of revenue everywhere the Kuffars (infidels) are in power. Yes there are certain Islamic rituals e.g. Friday and Id (Muslim festival) prayers, Azan Prayers call) and cow slaughter with which they had no objection. But the very root of these rituals was of no value to them. They demolished mosque without the least hesitation and no Muslim or any Dhimmi (Non- Muslim citizens of Islamic State) can enter into the city or its Suburbs without their permission. It is in their own interest if they do not object to the traveler and traders to visit the city. On the other hand, distinguished persons like Sujaul Mulk and Wilayat Begam can not dare visit the city without their permision. From here (Delhi) to Calcutta the Christians are in complete control there is no doubt that in principalities like Haydarabad, Rampur and Lucknow etc. they have left administration in the hand of local authorities. But it is because they have accepted their leadership and have submitted to their authority” [Ulama Freedom Struggle and Concept of Pakistan; Mohammed Anwer Hussain, online edition, p. 2]

অনৈসলামী শাসকদের ফতোয়া ভীতিঃ

“It is scarcely possible to exaggerate the dangers which might have resulted had these fatwas been in favour of rebellion. […] for it should never be forgotten that such decisions, when opposed to the Government have given rise to some of the most obstinate and bloody revolts that the world has seen. Even Akbar was nearly hurled from the height of his power by a Decision of Jaunpur lawyers declaring that rebellion against him was lawful. The great military revolt in Bengal followed, and from that time several of the land holders in the lower provinces had to be treated as feudatories rather than as subjects. During the Mutinies of 1857, the first act of a Musalman rebel, when he proclaimed the Delhi Rule in a city, was to call on some Muhammadan local saint for a fatwa declaring Holy War against the English.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 115-116]

মিশর ও তুরস্কের উদাহরণঃ

“In more recent times, both the Pasha of Egypt and the Sultan of Turkey himself have been forced into disastrous hostilities against religious insurgents who believed that the Commander of the Faithful had departed from the sacred law, and that it was their duty to destroy the apostate and his armies.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 116]

 

হান্টারের চোখে “ওহাবী”দের বৈশিষ্ট্যঃ

“His path in life is clear, and neither warnings nor punishments can turn him to the right hand or the left. There is at present in one of the Bengal jails a venerable white-haired musalman, of blameless life in all respects, with the exception of his being a bitterly persistent traitor.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 111]

জেল-জুলুম ও দ্বীপান্তর কোন কিছুই সাহসী মুসলিমদের ‘বৃটিশ-উৎখাত আন্দোলন’ থামাতে পারছিল নাঃ

“During a third of a century they have kept on foot a rebel army, first against Ranjit Singh, and afterwards against ourselves as his successors. In the distant Province of Bengal they have equipped band after band for the Frontier Camp. Every village, indeed almost every family, has followed their example and contributed to the cost of the war. Our prison gates have closed upon batch after batch of unhappy misguided traitors; the Courts have condemned one set of ringleaders after another to lonely islands across the sea; yet the whole country continues to furnish money and men to the Forlorn Hope of Islam on our Frontier, and persists in its bloodstained protest against Christian Rule.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 124-125]

আয়েশী মুসলমানদের এমন ওলামার প্রয়োজন দেখা দিল যারা তাদেরকে ইংরেজ উৎখাতের গুরু দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারেঃ

“For a time the well-to-do Muhammadans bore this reproaches in silence. But they had the whole vested interests of the Musalman clergy to back them, and by degrees drew out a learned array to defend their position. They began to contest the Wahabi doctrine of Holy War on first principles, and to deny that they were under an obligation to wage war against the Queen. During the past few years, a whole phalanx of Fatwas or Authoritative Decisions have appeared on this side. Even the three great High Priests at Mecca had been enlisted TO LIBERATE THE Indian Musalmans from the dangerous duty of rebelling against an English Queen.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 114]

মাহদীর বাহানা দিয়ে জিহাদ থেকে পিছুটানঃ

একদল আলেমও যোগাড় হয়ে গেল যারা এ মর্মে ফতোয়া জারী করে দিল যে, ইমাম মাহদীর আগমনের পরই কেবল পৃথিবীতে সত্য দ্বীন পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আগে অনৈসলামী শাসন ব্যবস্থা উৎখাতের চেষ্টা কেবল অর্থহীনই নয়; বিদ্রোহ ও পাপ হওয়ার কারণে শাস্তিযোগ্যও বটে। ফতোয়ার প্রতি ইসলামবিরোধী শাসকগোষ্ঠীর ভয়ানক এ্যালার্জি থাকলেও অনুরূপ ফতোয়ায় তারা বেজায় খুশি!  “It is satisfactory to learn, therefore, that at least one small sect of our Muhammedan fellow-subjects are not bound by the first principles of their religion to rebel against the Queen.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 120]

ভাগলপুরের কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারী সাইয়িদ আমীর হোসাইন এর প্রশ্নঃ

 

What is your Decision, O men of learning and expounders of the law of Islam, in the following? –

Whether a Jihad is lawful in India, a country formerly held by a Muhammedan ruler, and now held under the sway of a Christian Government, where the said Christian ruler does in no way interfere with his Muhammedan subjects in the Rites prescribed by their Religion, such as Praying, Fasting, Pilgrimage, Zakat, Friday Prayer, and Jamaat and gives them fullest protection and liberty in the above respects in the same way as a Muhammedan ruler would do, and where the Muhammedan subjects have no strength and means to fight with their rulers; on the contrary there is every chance of the war, if waged, ending with a defeat, and thereby causing an indignity to Islam.

 

Please answer, quoting your authority.       

 

জবাবঃ

 

Fatwa dated the 17th July 1870

The Musalmans here are protected by Christians, and there is no Jihad in a country where protection is afforded, as the absence of protection and liberty between Musalmans and Infidels is essential in a religious war, and that condition does not exist here. Besides, it is necessary that there should be a probability of victory to Musalman and glory to the Indians. If there be no such probability, the Jihad is unlawful. [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 218-219]

 

কলকাতার কিছু লোক কর্তৃক বৃটিশ ভারতকে “দারুল ইসলাম” ঘোষণা !

ঊনবিংশ শতকের শুরুর দিকে (১৮০৩) উত্তর ভারতের ইসলামী আইনের পণ্ডিতবর্গ ভারতকে “দারুল হরব (War Territory)” ঘোষণা করেছিলেন। অথচ, ইংরেজদের খোদাদ্রোহী শাসন তখনও খুব বেশী শক্ত আসন গাড়তে পারে নি। বিপরীতদিকে, ১৮৫৭ সালের সিপাহী জনতার সশস্ত্র আন্দোলনের ব্যর্থতার মাত্র ১৩ বছর পর যখন ইংরেজদের খোদাদ্রোহী শাসন ষোল কলায় পূর্ণ হল, ঠিক তখনই (২৩ নভেম্বর, ১৮৭০) কলকাতায় মোহামেডান লিটারারী সোসাইটির এক মিটিংয়ে মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী ইংরেজদের খোদাদ্রোহী বস্তুবাদী আইন দ্বারা শাসিত ভারতকে “দারুল ইসলাম (Territory of Islam)” ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত হননি; বরং বৃটিশ উৎখাতের জিহাদকে ‘বিদ্রোহ (Rebellion)’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন ! ! !

After declaring, in opposition to the northern Law Doctors, that India is a Dar-ul-Islam, Maulavi Karamat Ali [Jaunpuri] proceeded thus:

‘The second question is, “whether it is lawful in this country to make Jihad or not.” This has been solved together with the first. For Jihad can by no means be lawfully made in Dar-ul-Islam. This is so evident that it requires no argument or authority to support it. Now if any misguided wretch, owing to his perverse fortune, were to wage war against the Ruling Powers of this Country, British India; SUCH WAR WOULD BE RIGHTLY PRONOUNCED REBELLION. [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 219]

হায় জৌনপুর!

“It is an auspicious circumstance, therefore, that the very district, Jaunpur, which leveled the Fatwa of rebellion against the greatest Musalman monarch whom India produced, has also furnished the Law Doctor [Moulavi Karamat Ali Jaunpuri] whose Decision is most strongly opposed to waging war against British power.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 116-117]

পছন্দমত ফতোয়া পেয়ে আয়েশী মুসলিম ও ইংরেজ শাসক – দু’ পক্ষই বেজায় খুশিঃ

“It is a matter of congratulation, both for the Musalmans and ourselves, that these decisions have been on the side of peace and loyalty. [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 115]

খুশির কারণঃ

“This result must be accepted as alike satisfactory to the well-to-do Muhammedans, whom it saves from the peril of contributing to the Fanatic Camp on our Frontier, and gratifying to ourselves, as proving that the Law and the Prophets can be utilized on the side of loyalty as well as on the side of sedition. [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 122]

কিন্তু ইংরেজরা জানতো যে, উপরোক্ত ফতোয়া ইসলামী আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়; গুরু দায়িত্ব থেকে আয়েশী মানুষের পলায়নের চেষ্টা মাত্রঃ

“The comfortable classes, even among the conspirators, are now glad of a pretext to wash their hands of the business. Such men will welcome the Legal Decisions as a door of escape out of a serious difficulty. [.………..] But it would be a political blunder for us to accept without inquiry the views of the Muhammedan Literary Society of Calcutta as those of the Indian Musalmans. Extreme zealots of the Wahabi sect can not be expected to listen to reason of any sort, yet there is a vast body of pious Muhammedans, who would be guided by a really authoritative exposition of their Sacred Law. [.………..] I propose, therefore, to scrutinise the Sunni Decisions with a view to ascertaining the effect which they will have on the more zealous Muhammadans; men with whom the sense of religious duty is the rule of life, and whose minds are uninfluenced either by fear of danger or by habits of prosperous ease. For it is no use shutting our eyes to the fact that a large proportion of our Muhammadan subjects belong to this class.” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 123-124]

 

 

ব্রিটিশ ভারতের আইনগত অবস্থান নির্ণয়ে মক্কার আলেমদের ফতোয়াঃ ভারত দারুল ইসলাম। অতএব ব্রিটিশ উৎখাত ঈমানী দায়িত্বঃ

 

DECISION OF THE MECCA LAW DOCTORS
(the Heads of the three Great Musalman Sects).

QUESTION

“What is your opinion (may your greatness continue for ever) on this question; whether the country of Hindustan, the rulers of which are Christians, and who do not interfere with all the injunctions of Islam, such as the ordinary daily Prayers, the Prayers of the two ‘Ids, etc., but do authorize departure from a few of the injunctions of Islam, such as the permission to inherit the property of the Muhammadan ancestor to one who changes his religion (being that of his ancestors), and becomes a Christian, is Dar-ul-Islam or not? Answer the above, for which God will reward you”

ANSWER NO. 1.

As long as even some of the peculiar observances of Islam prevail in it, it is the Dar-ul-Islam.

—–   JAMAL IBN ABDULLAH SHEIKH UMAR

ANSWER NO. 2.

Yes! As long as even some of the peculiar observances of Islam prevail in it, it is Dar-ul-Islam

—–   AHMAD IBN ZAYNI DAHLAN

 

ANSWER NO. 3.

It is written in the Commentary of Dasoki that a country of Islam does not become Dar-ul-Harb as soon as it passes into the hands of the Infidels, but only when all or most of the injunctions of Islam disappear therefrom. 

 ——-  HUSAIN IBN IBRAHIM

[The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 217-218]

কলকাতার লোকদের মত  বৃটিশ উৎখাতের জিহাদকে ‘বিদ্রোহ (Rebellion)’ হিসেবে আখ্যায়িত করা তো দূরের কথা; উপরোক্ত ফতোয়ায় মক্কার তিনজন বিশিষ্ট আইনবিদ ভারতকে স্পষ্ট ভাষায় দারুল ইসলাম বলে অভিহিত করে অনৈসলামী শাসকগোষ্ঠী উৎখাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর জন্য মুসলমানদেরকে ইঙ্গিত দিয়েছেন। (Still more significantly, the two most important Decisions, that of the Mecca Doctors and of Maulavi Abd-ul-Hakk, confine themselves to affirming that India is a Country of Islam, and most carefully avoid drawing the inference that rebellion is therefore unlawful. The truth is, that, according to strict Muhammadan law, the opposite conclusion would be correct, and the Mecca Doctors well knew this when they gave their decision. They affirm that India is a country of Islam, and leave it to the Faithful to conclude that for this very reason they ought to strive, by war or otherwise, to drive out the Infidels who have usurped the Government, and who in a hundred ways have interfered with the practices and procedure, both legal and religious, of the former Muhammadan rulers.) [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, p. 126]

 

ব্রিটিশ ভারতে খোদ হান্টারের দৃষ্টিতে মুসলমানরা যে সকল অধিকার হারালোঃ

 

“The Aman, or religious status, which the Muhammadans now enjoy, is entirely dependent on the will of their Christian rulers, and they enjoy it only in such a degree as we choose to grant. This degree fallsfar short of the full religious status which they formerly possessed. The British Government taxes the Muhammadans, and applies the taxes to the erection of Christian Churches, and the maintenance of a Christian Clergy. It has substituted Englishmen for the Muhammadan governors whom it found in charge of the Districts and Provinces. It has formally abolished the Musalman Judges and Law Officers.  It allows pork and wine to be openly sold in the marketplaces. It has introduced English into the Courts. It has superseded the whole Muhammadan procedure and criminal law. It has afforded protection to unhappy fallen women by Act XIV. of 1868. It makes no provision such as a king is bound to make, according to the Musalman Code, for seeing that the people attend the mosques and perform their religious duties. It must be remembered that the civil and religious law of Islam, and the civil and religious status of Musalmans, are inseparably mixed up. The stamps required by our Courts on a plaint, our statutes of limitation, the orders by our Judges to pay interest upon money found to be due, and our entire system of legal procedure and religious toleration, are opposed to the Muhammadan Law, and are infringements of the Amán, or status, which our Musalman subjects enjoyed under their own rulers. Nor has the religious status of the Zimmis, or Christian and other Infidel subjects of the Muhammadan Empire of India, undergone less change. The Christian Zimmis are there no more a subject people, but conquerors and governors. The Hindu Zimmis no longer pay the poll-tax” [The Indian Musalmans; W.W. Hunter, Third Edition, London, Trubner and Company, 1876, pp. 129-130]

During Muslim Rule

During British Rule

The Aman, or religious status, which the Muhammadans now enjoy, is entirely dependent on the will of their Christian rulers, and they enjoy it only in such a degree as we choose to grant.
The British Government taxes the Muhammadans, and applies the taxes to the erection of Christian Churches, and the maintenance of a Christian Clergy.
It has substituted Englishmen for the Muhammadan governors whom it found in charge of the Districts and Provinces.
It has formally abolished the Musalman Judges and Law Officers.
It allows pork and wine to be openly sold in the marketplaces. It has introduced English into the Courts.
It has superseded the whole Muhammadan procedure and criminal law.
It has afforded protection to unhappy fallen women by Act XIV. of 1868.
It makes no provision such as a king is bound to make, according to the Musalman Code, for seeing that the people attend the mosques and perform their religious duties.
The stamps required by our Courts on a plaint, our statutes of limitation, the orders by our Judges to pay interest upon money found to be due, and our entire system of legal procedure and religious toleration, are opposed to the Muhammadan Law, and are infringements of the Amán, or status, which our Musalman subjects enjoyed under their own rulers.
The Christian Zimmis are there no more a subject people, but conquerors and governors. The Hindu Zimmis no longer pay the poll-tax”

Leave a comment

Filed under HISTORY OF EDUCATION

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s